হ্যা এটাই বাংলাদেশ! হ্যা আমরা বাঙ্গালী!

0
258

পৃথিবীজুড়ে সসস্ত্র বাহিনীর কাজ হচ্ছে ক্ষমতাসীন শাসকদের সুবিধামতো কাজ করে নিজের চাকুরিজীবন শেষ করা। সেটা যে দেশই হোক না কেন!

বাংলাদেশের সব থেকে বড় সমস্যা অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন মূর্খ সম্প্রদায়। দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে অশিক্ষিত বিশাল জনগোষ্ঠী ।

আমাকে যখন আমার পরিচিত লোকজন আমার চাকুরী সমন্ধে জিজ্ঞাসা করে, আমি তখন অবাক হয়ে ভাবি, হায়! এ দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে কর্মসন্ধান করাটাই যেন বেশী সম্মানজনক। মোদ্দাকথা, অলস শ্রেণির বিশাল জনগোষ্ঠী মানসিক পঙ্গুত্বতে ভূগছে। এরা পরের জন্য জীবন দিয়ে কামলা খাটবে।

পিয়াজের দাম ২০২০ এর শেষে আবার বেড়ে যাবে ভেবে অনেকেই পিয়াজ স্টক করে ধরা খাবে। অতি ধুরন্ধর বুদ্ধি ভালো না। রাজাকারের লিস্ট তার প্রমাণ।

….

প্রিন্টার বিক্রি বেড়ে গেছে। কোটি টাকা দিয়ে কিছু লোক নাকি পেন্ড্রাইভ থেকে পিডিএফ প্রিন্ট দিতেছে। প্রিন্টার উদ্যোক্তা হলে খারাপ হয়না।

শিক্ষা বাণিজ্যিক রূপ ধারণ করেছে। সিংহভাগ ছাত্র-ছাত্রীর এসএসসির পর আর পড়াশুনার দরকার নাই। প্রাইমারির পর ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের ভোকেশনাল শিক্ষার আওয়াতায় আনা উচিৎ। এইরকম হলে উচ্চশিক্ষার খদ্দেরদের অভাবে বাণিজ্যিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মৃত্যু হবে।

….

আপনার গচ্ছিত টাকার দিয়ে বিদেশী মুদ্রা কিনে ব্যাংকের লকারে রাখুন। চরম মুদ্রাস্ফীতি বিপর্যয়ে বাংলাদেশ।

আপনার শিশুকে গরুর দুধ খাওয়াবেন না। গরুর দুধ আস্তে আস্তে জ্বাল দিয়ে সোনা বের করে বাজারে বিক্রি করুন, কোটিপতি হউন।

পরশ্রীকাতর ব্যক্তি আমার খুব ভাল লাগে। জ্বলা দেখতে মজা লাগে।

এই একটু আগে ডাল-ভাত রান্না করে খাইলাম, এখন ঘুমাবো।

ইদানিং আমি আর কাজ করছি না, কারণ আমি কয়েকজনের কর্মসংস্থান করেছি, তারা আমার ভাই, শ্রমিক নয়। কেউ আমাকে স্যার কয় না।

২০১১ সাল থেকে ভারত বিদ্বেষ মনে পোষন করলেও, ইদানিং দেশের পরিস্থিতিতে ভারত প্রেমে মত্ত হয়েছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে