সুস্থ থাকতে ইফতারে যে সকল খাবার খাওয়া জরুরী

0
102

সারাদিন রোজায় থাকার পর উল্টাপাল্টা খাবার খেলে অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন তাই রোজায় সুস্থ থাকতে খাবারের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। সারাদিন রোজা রাখার পর নিয়ম না মেনে খাবার খেলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন।

বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রোজায় খাদ্যাভ্যাসের দিকে বেশি নজর দেয়া উচিৎ। সারাদিন রোজা থাকার পর পাকস্থলীতে এমন কিছু খাবার দেয়া উচিৎ যা দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায় ও বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে। গ্লুকোজের অভাবে মস্তিষ্কের কাজ ব্যাহত হয়। ইন্সুলিনের সাহায্য ছাড়াই গ্লুকোজ মস্তিষ্ক কোষে ঢুকে যায়। শরীরের আরেকটি গুরুত্বর্পূর্ণ অঙ্গ হল কিডনি, যা পানির অভাবে মারাত্নকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। ১২ ঘন্টায় ৩০০ মিলির কম প্রস্রাব উৎপন্ন হলে কিডনি ইনফেকশনের সম্ভবনা থাকে। দেহের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য বিভিন্ন খনিজ উপাদান যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। ইফতারে এমন সব খাবার খাওয়া উচিত যে খাবারে প্রয়োজনীয় পরিমান পানি, গ্লুকোজ ও খনিজ উপাদান থাকে। তাতে মস্তিষ্ক, কিডনি ও ত্বকের কার্যক্রম ঠিক থাকে।

ইফতারে সাধারণত অতিরিক্ত তেল জাতীয় ভাজাপোড়া খাবারের দিকে আমাদের ঝোঁক থাকে। তবে এসব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

প্রতিদিন এসব খাবার ইচ্ছামত খাওয়ার ফলে আপনি পেটের পিড়াসহ বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

তাই ইফতারে কী খাবেন আর কী খাবেন না এসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। নাহলে বিপত্তি ঘটতে পারে।

আসুন জেনে নেই একটি আদর্শ ইফতারের প্লেটে যেসব খাবার রাখবেন।

শরবত

ইফতারের প্রথম অনুষঙ্গ হচ্ছে শরবত। এসময় আপনি বিভিন্ন ধরনের শরবত রাখতে পারেন। লেবু, তকমা, তেঁতুল, টকদই, দুধ, বেল, কাঁচা আম, ইসবগুলের ভুসি ইত্যাদি উপকরণ দিয়ে শরবত তৈরি করা যায়। তবে ডায়াবেটিসের রোগীরা চিনির শরবত খাবেন না।

দুধ-মুড়ি, নরম খিচুড়ি, চিড়া, দই-কলা, শসার রায়তা

সারা দিন রোজা রাখার পর শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে খেতে পারেন দুধ-মুড়ি, নরম খিচুড়ি, চিড়া, দই-কলা, শসার রায়তা জাতীয় খাবার। এসব খাবার শরীর ভালো রাখবে।

সালাদ

ইফতারে কাঁচা ছোলা বা সেদ্ধ ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, আদা কুচি, পুদিনা মিশিয়ে সালাদের মতো করে খেতে পারেন।এতে শরীরে পানিশূন্যতা দূর হবে। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের ক্লান্তি দূর হবে।

ফলমূল

ইফতারে তাজা ফল শরীরের জন্য খুবই উপকারি। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, আঁশের চাহিদা মেটে, মেলে প্রচুর পটাশিয়াম, খনিজ, ভিটামিন।

খেজুর

এছাড়া খেজুরে উচ্চ মাত্রার আয়রন, শর্করা, ক্যালসিয়াম আছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে