“বিরাট কোহলি “”সাকিব আল হাসানের” নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিতে আইসিসির নিকট আবেদন করলেন।

1
312
Collected from: 123rf.com

“সাকিব আল হাসান” ২৪ শে মার্চ ১৯৮৭ সালে মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।তার হাতেই গড়ে ওঠে চমত্কার কিছু বিশ্ব রেকর্ড। তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে টানা ১০ বছর ওয়ানডে ফরমেটে বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার ছিলেন,যা সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়। এছাড়া তিনি এখনো ফরমেটে (অডি,টি২০,টেস্ট) টপ ১,২, তে অবস্থান করছেন

কিন্তু সাকিব আল হাসান এর ২০১৯ এর ক্যারিয়ারে দুরসময় আসতেও খুব এক্টা দেরি হয়নি।ম্যাচ ফিক্সিং এর অভিযোগে আইসিসি ২৯শে অক্টোবর ২০১৮ সাকিবকে সকল প্রকার ম্যাচ হতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।যা সারা দুনিয়ায় আলোড়ন তুলে দেয়।তবে নিষেধাজ্ঞা চলার সময় তিনি যদি শাস্তির বিধিবিধান সঠিকভাবে মেনে চলেন, তাহলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা-আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য দেওয়া হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইসিসির দুর্নীতি দমন ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে সাকিব সবগুলো অভিযোগের দায় স্বীকার করে নিয়েছেন।

আর সাকিবের এই নিষেধাঙ্গা কমাতে আইসিসির কাছে আবেদন করেছে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি
তিনি আরো বলেন সাকিবের সাথে খেলতে না পেরে আমি খুবই দুঃখীত,, সাকিবের মতো খেলোয়াড় একরাতে হয়ে উঠেনা, সাকিবের মতো খেলোয়াড় হতে হলে কেটে যায় যুগের পর যুগ।এই কথাগুলোর মাধ্যমে সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা কমাতে আইসিসির নিকট তিনি আবেদন করেন।এই আবেদনটি খুব জোরেসোরেই প্রভাব ফেলবে আইসিসি বিচার বিভাগের ওপর।আর এই আবেদনটিকে সাকিব আল হাসানের জন্য সুফলদায়ক হিসেবে বিবেচনা করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

আর একবার তার কাছে প্রস্তাব আসে এই ত্রিদেশীয় সিরিজ অথবা আইপিএলে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ-কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচের আগেও তাকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেন জুয়াড়িরা।

বিরাট কোহলি প্রমাণ করে দিলেন যে, রতনে রতন চেনে। সবাই অধির আগ্রহে বসে আছেন কবে ফিরবেন সাকিব আল হাসান। আমাদের সকলের প্রত্যাশা তিনি খুব দ্রুতই আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসবেন।

Collected from: behance.net

এক নজরে সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

ওয়ানডেঃ

২০৬ টি একদিনের ম্যাচের ১৯৪ ইনিংসে ব্যাট করে ২৭ বার অপরাজিত থেকে; ৩৭.৮৬ গড়ে; ৮২.৭৪ স্ট্রাইকরেটে; ৪৭ টি অর্ধশতক ও ৯টি শতকে মোট রান ৬৩২৩! সমান সংখ্যক ম্যাচে ৪.৪৮ ইকোনমিতে; ইনিংসে ১০ বার চার উইকেট ও ২বার ৫উইকেটে মোট উইকেট ২৬০ টি।

টি_টোয়েন্টিঃ

৭৬ টি২০ ম্যাচের ৭৫ ইনিংসে ব্যাট করে ৯বার অপরাজিত থেকে; ২৩.৭৪ গড়ে; ১২৩.৭৮ স্ট্রাইকরেটে; ৯টি অর্ধশতকে মোটরান ১৫৬৭! বল হাতে সমান ম্যাচে ২০.৫৯ গড়ে ও ৬.৮২ স্টাইকরেটে; ইনিংসে ১বার ৫উইকেটে মোট শিকার ৯২।

টেস্টঃ

৫৬ টি টেস্ট ম্যাচের ১০৫ ইনিংসে ব্যাট করে ৭বার অপরাজিত থেকে; ৩৯.৪১ গড়ে; ২৪ টি অর্ধশতক ৫টি শতক ও ১টি দ্বিশতকে মোট রান ৩৮৬২! সমসংখ্যক ম্যাচে ৩১.১০ গড়ে; ইনিংসে ১৮ বার ৫ ও ২বার ১০ উইকেটে মোট উইকেট ২১০টি।

নিঃসন্দেহে “সাকিব আল হাসান” বাংলাদেশ ক্রিকেট জগতের এক সোনালি হরিণ।”সাকিব আল হাসান” বাংলাদেশের জন্য গর্ব। সাকিব সবার আকর্ষণ কারেন মুহুর্তে, তার দক্ষতার কোনো বালাই নেই।অন্যান্য দেশ আফসোস করে, তারা ভাবেন যদি তাদেরও থাকতো একজন
“সাকিব আল হাসান”।

১ মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে