তেহরান-রিয়াদ উত্তেজনা নিরসনে বার্তা নিয়ে বাগদাদে গিয়েছিলেন সোলাইমানি

0
137
সোলায়মান কাসেমি

তেহরান-রিয়াদ উত্তেজনা নিরসনে বার্তা নিয়ে বাগদাদে গিয়েছিলেন সোলাইমানি। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি জানিয়েছেন, তার সরকারের আমন্ত্রনেই গত ৩ রা জানুয়ারি বাদদাদে পৌঁছান ইরানের প্রভাবশালী কুদস ফোর্সের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। তিনি তেহরান-রিয়াদ উত্তেজনা নিরসন সংক্রান্ত বার্তা নিয়ে এসেছিলেন।

ওইদিন সাড়ে আটটায় ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা ছিলো তার। তবে তার আগেই বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় নিহত হন সোলাইমানি।

মার্কিন বিমান হামলায় সোলাইমানির সঙ্গে নিহত ইরাকের প্রভাবশালী মিলিশিয়া গ্রুপ হাশদ আশ শাবির ডেপুটি কমান্ডার আবু মাহদি আল মুহান্দিসহ মোট দশ জন। ওই হামলার পর রবিবার পার্লামেন্টের এক অধিবেশনে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়ার পক্ষে ভোট দেন আইনপ্রণেতারা। পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে ইরাকের অন্তবর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহাআরে পক্ষে মতামত দেন।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের উদ্দেশ্যে ইরাকের মধ্যস্থতায় সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের যে সংলাপ চলছিলো সে সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছিলেন জেনারেল সোলাইমানি।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী দেশটির পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে দেওয়ার বক্তব্যে এক কথা জানান। ঐ অধিবেশনে ইরাক থেকে দখলদার মার্কিন সেনা বহিষ্কার করার বিল পাস হয়। আদেল আব্দুল মাহদি বলেন, সৌদি আরব এর আগে ইরাকের মাধ্যমে ইরাঙ্কে যে বার্তা দিয়েছিলো সে ব্যাপারে তেহরানের জবাব নিয়েজেনারেল সোলাইমানি বাগদাদ সফরে গিয়েছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছেন, সোলাইমানিকে হত্যার মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। তবে ইরাক সরকারের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে দূত হিসেবে কাজ করছিলেন নিহত জেলারেল সোলাইমানি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে