“ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত”।

0
50
Credit: pinterst.com

ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান’ এর ওপর দিনব্যাপী এক কর্মশালা গত (২০ নভেম্বর ২০১৯তারিখ) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান রিপোর্টের সুপারিশ এবং বাস্তবায়ন কৌশল সংশ্লষ্টি পক্ষরে সঙ্গে আলোচনা করতে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।চলতি বছরের অক্টোবর মাসে ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় আনুষ্ঠানিকভাবে ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান রিপোর্ট প্রকাশ করেন।

অদ্যকর কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম। বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কোইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব জো হনে-জু (ঔড়ব ঐুঁহ-এঁব), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মোঃ মামুন-আল-রশীদ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান এর প্রকল্প পরিচালক মোঃ মনির হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউল আলম বলেন, দেশে শক্তিশালী একটি সরকারি ই-গভর্নমেন্ট ইকো-সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান অত্যন্ত কার্যকরী এবং টেকসই ভূমিকা পালন করবে। এটি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/ বিভাগ/ সংস্থার আইসিটি সম্পর্কিত উদ্যোগ গ্রহণ ও রপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট জরিপ-২০১৮ অনুসারে বিশে^র ১৯৩ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫ তম। “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় ২০২১ সালের মধে জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট র‌্যাংকিং এ প াশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

credit: macademy.com

উল্লখ্যে, ২০০৩ সালে মাত্র ৪৫ টি দেশে ওয়ান স্টর্প প্লাটর্ফম ছিল এবং ২০১৬ সালে এটি ৯০ এ উন্নীত হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে ৪০% এর বেশি সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে চালু রয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ ৯০% সেবা অনলাইনে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।সভাপতির ভাষণে পার্থপ্রতিম দেব বলেন, সরকারের লক্ষ্য তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাগরিক সেবাসমূহ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন হলে সকল নাগরিক সেবা, সরকারী ব্যবস্থাপনা ও পদ্ধতি অত্যন্ত ফলপ্রসু হবে।

জিয়াউল আলম বলেন, দেশে শক্তিশালী একটি সরকারি ই-গভর্নমেন্ট ইকো-সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান অত্যন্ত কার্যকরী এবং টেকসই ভ‚মিকা পালন করবে। এটি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/ বিভাগ/ সংস্থাার আইসিটি সম্পর্কিত উদ্যোগ গ্রহণ ও রপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে কার্যকর ভ‚মিকা রাখবে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট জরিপ-২০১৮ অনুসারে বিশে^র ১৯৩ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫ তম। সজীব ওয়াজেদ জয় ২০২১ সালের মধে জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট র‌্যাংকিং এ পঞ্চাশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে মাত্র ৪৫ টি দেশে ওয়ান স্টর্প প্লাটফর্ম ছিল এবং ২০১৬ সালে এটি ৯০ এ উন্নীত হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে ৪০ শতাংশ এর বেশি সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে চালু রয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ ৯০ শতাংশ সেবা অনলাইনে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে